Health & Medical Blog

নার্সিং পড়তে চাইলে | Study of Nursing Profession, Admission

Nursing-admission-Bangladesh

Prothom-Alo

সেবামূলক পেশা হচ্ছে নার্সিং। দেশে এখন প্রায় সব জেলা-উপজেলা শহরগুলোতেই সরকারি বেসরকারি হাসপাতাল বা ক্লিনিক গড়ে উঠেছে। ক্রমেই বেড়ে চলছে এসব হাসপাতালের সংখ্যা। তাই এসব প্রতিষ্ঠানে প্রতিবছরই নার্সের প্রয়োজন হয়। সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোতে নার্স নিয়োগ করে বাংলাদেশ সরকারের সেবা পরিদপ্তর। এই পরিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো থেকে জানা গেছে, এখন নার্সের শূন্য পদের সংখ্যা ৩ হাজার ৭২৮ জন। সাম্প্রতিক সময়ে সরকারের উচ্চপর্যায়ে থেকে আরও ১০ হাজার নার্স নিয়োগের কথা হচ্ছে। সব মিলিয়ে ১৩ হাজার ৭২৮ জন নার্স নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হবে। দেশের বাইরেও বিভিন্ন দেশে রয়েছে পেশাদার নার্সের চাহিদা। চাইলে এ পেশায় আসতে পারেন আপনিও। এ পেশায় আসতে হলে এর ওপর ডিপ্লোমা ইন নার্সিং সায়েন্স অ্যান্ড মিডওয়াইফারি কোর্সটি করতে হবে। সম্প্রতি সেবা পরিদপ্তর তিন বছর মেয়াদি ডিপ্লোমা ইন নার্সিং সায়েন্স অ্যান্ড মিডওয়াইফারি কোর্সে ভর্তি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। এই ভর্তি বিজ্ঞপ্তিটি গত ৭ অক্টোবর প্রথম আলোর ক্রোড়পত্র অধুনা তৃতীয় পৃষ্ঠায় ছাপানো হয়েছে। দেশের মোট ৪৩টি সরকারি নার্সিং ইনস্টিটিউটে ২ হাজার ৫৮০টি আসনে ছাত্র-ছাত্রী ভর্তি করানো হবে। তাই এ কোর্সটি করে আপনিও এই সেবামূলক কাজে নিজেকে নিয়োজিত করতে পারেন। এরই মধ্যে আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গেছে। আবেদন করতে হবে ২৬ অক্টোবরের মধ্যে। ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২৭ নভেম্বর সকাল ১০টায়।

আবেদনের যোগ্যতা: এই কোর্সে আবেদন করতে হলে প্রার্থীকে যেকোনো শিক্ষা বোর্ড থেকে ২০১১, ২০১২ ও ২০১৩ সালে অনুষ্ঠেয় এসএসসি বা সমমানের পরীক্ষায় ন্যূনতম জিপিএ ২.২৫ এবং ২০১৩, ২০১৪ ও ২০১৫ সালে অনুষ্ঠেয় এইচএসসি বা সমমানের পরীক্ষায় ন্যূনতম, জিপিএ ২.৫ পেয়ে পাস হতে হবে। প্রার্থীকে অবশ্যই বাংলাদেশের স্থায়ী নাগরিক ও অবিবাহিত হতে হবে।

কোটা পদ্ধতি: মুক্তিযোদ্ধা কোটার জন্য ৫২টি আসন সংরক্ষণের পর অবশিষ্ট আসনে ৬০ শতাংশ জাতীয় মেধা কোটায় এবং ৪০ শতাংশ জেলা কোটার ভিত্তিতে নির্বাচন করা হবে। শুধু ৫টি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল-সংলগ্ন নার্সিং ইনস্টিটিউটে (নার্সিং ইনস্টিটিউট, মিটফোর্ড, ঢাকা, খুলনা, কুমিল্লা, ফরিদপুর ও দিনাজপুর) মোট আসনসংখ্যার অনধিক ১০ শতাংশ পুরুষ প্রার্থী কর্তৃক পূরণ করা হবে।

আবেদন করতে হবে ২৬ অক্টোবরের মধ্যে।

ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২৭ নভেম্বর সকাল ১০টায়

আবেদন ও নির্বাচন প্রক্রিয়া: প্রার্থী যে কেন্দ্রের অধীন পরীক্ষা দিতে ইচ্ছুক, সেই কেন্দ্রের কোড নম্বর আবেদন করার সময় এসএমএসের মাধ্যমে অবশ্যই উল্লেখ করতে হবে। কেন্দ্রের কোড নম্বরগুলো বিজ্ঞপ্তি থেকে পাওয়া যাবে। আবেদনের জন্য টেলিটক প্রি-প্রেইড মোবাইল ফোনের মাধ্যমে মেসেজ অপশনে গিয়ে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখিত নিয়ম অনুসারে ১৬২২২ নম্বরে এসএমএস করতে হবে। এসএমএসটি পাঠানোর পর সব তথ্য সঠিক হলে ফিরতি এসএমএসে আবেদনকারীর নাম ও একটি পিন নম্বর জানিয়ে ভর্তি আবেদন ফি বাবদ ৩৫০ টাকা কর্তনের সম্মতি চাওয়া হবে। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী প্রার্থীকে আরেকটি এসএমএম পাঠিয়ে সম্মতি পাঠাতে হবে। আবেদনকারীর মোবাইল নম্বর (যেকোনো অপারেটরের) লিখে এসএমএস পাঠাতে হবে। পরবর্তী সময়ের জন্য পিন নম্বরটি অবশ্যই সংরক্ষণ করতে হবে। সম্মতি জানিয়ে এসএমএস পাঠালেই কেবল আবেদনকারীর মোবাইল ফোন থেকে সার্ভিস চার্জসহ ভর্তি ফি বাবদ ৩৫০ টাকা কেটে নেওয়া হবে। আবেদনকারীর টেলিটক মোবাইল প্রিপ্রেইড মোবাইলে পর্যাপ্ত পরিমাণ টাকা থাকা সাপেক্ষে আবেদনের নির্দিষ্ট ফি কেটে নেওয়ার পর এসএমএস পাঠানোর মাধ্যমে প্রার্থীর User ID ও Password জানিয়ে দেওয়া হবে।

আবেদন শেষে প্রবেশপত্র ডাউনলোড বিষয়ে এসএমএসের মাধ্যমে জানানো হবে। সেবা পরিদপ্তরের ওয়েবসাইট ( ) থেকে প্রবেশপত্র ডাউনলোড করা যাবে। যোগ্য প্রার্থীকে প্রবেশপত্রের জন্য প্রথমে এক কপি পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবি স্ক্যান করে অথবা ডিজিটাল ক্যামেরায় ছবি উঠিয়ে ৩০০ x৩০০পিক্সেল সাইজের জেপিজি ফরম্যাটে সেভ করতে হবে। প্রবেশপত্র ডাউনলোড করতে হলে (http://dnsd.teletalk.com.bd) তে গিয়ে প্রথমে নিজ নিজ User ID ও Password ইনপুট দিতে হবে। প্রদত্ত ইনপুট সঠিক হলে নিজ নিজ জেলা সিলেক্ট করা এবং ফটো আপলোড করার অপশন পাওয়া যাবে। নিজ নিজ জেলা সিলেক্ট করা এবং ফটো আপলোড করা হলে প্রবেশপত্র ডাউনলোড করে A4 কাগজে প্রিন্ট করে নিতে হবে। প্রিন্ট করা কপিতে নির্দিষ্ট স্থানের লেখার প্রার্থীর দরখাস্তের লেখার ওপরে প্রার্থীকে স্বাক্ষর করে তা সংরক্ষণ করতে হবে। শুধু এমসিকিউ পদ্ধতিতে লিখিত পরীক্ষার মাধ্যমে প্রার্থী নির্বাচন করা হবে।

প্রয়োজনীয় কাগজপত্র: ভর্তির সময় এসএসসি ও এইচএসসি বা সমমান পরীক্ষার মূল একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্ট, এসএসসি বা সমমান পরীক্ষা পাসের মূল সনদ, ৩ কপি সদ্য তোলা পাসপোর্ট সাইজের সত্যায়িত রঙিন ছবি (ছবিতে প্রার্থীর নাম লেখা থাকবে), জেলা কোটা দাবির ক্ষেত্রে স্থানীয় সিটি করপোরেশনের মেয়র/পৌরসভার চেয়ারম্যান/ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান/ওয়ার্ড কমিশনার বা কাউন্সিলর কর্তৃক প্রদত্ত মূল প্রত্যয়নপত্রসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিতে হবে।

Source: Prothom Alo

Read More Link about Nursing:

(Visited 1,127 times, 3 visits today)

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *